
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আওয়ামী দোসর, ধর্ষন মামলায় ১০ বছর সাজা প্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি, চিহ্নিত প্রতারক এম এ মান্নান ভুইয়া ডিসি ও এসপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, জমি দখলের চেষ্টা, জনমনে প্রশ্ন ৩৪ মামলার আসামি, নারী পিপাসু ও সাপ্লাইকারী বহাল তবিয়তে, বিতর্কে মানবিক ডিসি ও পুলিশ সুপার। গ্ৰেফতার হবে কি চিহ্নিত প্রতারক মান্নান ভুইয়া?
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পাঠান টুলি কবরস্থান রোড আইল পাড়ায় ঠেলা গাড়ি চালক সামসুদ্দীন আঃ হান্নান মিয়ার কুখ্যাত ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ও ধষর্ণ মামলায় ১০বছর সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নান বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই বাটপার মান্নান কখনো সার্টিফিকেট প্রদান কখনো বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আবার কখনো ত্রাণ সহায়তার কথা বলে রেজিস্ট্রেশন ফির নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এবার প্রতারক মান্নানের টাকা কামানোর মুল এজেন্ডা হচ্ছে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মুলা। চিহ্নিত প্রতারক মান্নানের এই সংগঠনে প্রশিক্ষণ দেয় কারা আর প্রশিক্ষণ নেয় কারা? আসলে যারা প্রতারক তারা স্থির থাকতে পারে না। কোন না কোন ধান্দা ফিকিরের তালাশে থাকে সবসময়। আর এই ধান্দা বা তালাশের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতারণা ও ধাপ্পাবাজি করে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কিছু টাকা পয়সা হাতিয়ে নেওয়া। এই ক্ষেত্রে তথাকথিত মানব কল্যাণ পরিষদের দোকান বসিয়ে নিজে স্বঘোষিত চেয়ারম্যান পরিচয়ে প্রতারনার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর প্রতারক মান্নানের স্ত্রীর তথাকথিত সংগঠন লেখক কল্যাণ পরিষদ স্বামী-স্ত্রী দুজনই প্রতারক, তাহলে এখন প্রশ্ন জাগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন এই প্রতারক মান্নান কে গ্ৰেফতার করছে না?
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই প্রতারক নিয়মিত যাতায়াত করে থাকে। ৩৪ টি মামলার আসামি হয়ে কি ভাবে প্রকাশ্যে এই প্রতারক ঘুরা ফেরা করে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন। প্রতারক মান্নানের তথাকথিত সংগঠন মানব কল্যাণ পরিষদ প্রতি বছর পুরস্কার পায় তার কারন কি? নারায়ণগঞ্জে সামাজিক সংগঠন রয়েছে ৩০ টির অধিক, আর কোন সংগঠন কেন পুরুস্কৃত হয়না, প্রতারক মান্নান বিভিন্ন প্রশিক্ষণের অনুষ্ঠানে ঐ প্রসাশনের কর্মকর্তাদের অতিথি করে নিজেকে জাহির করে প্রতারক মান্নান একজন সমাজ কর্মী। কিন্তু প্রসাশনের লোকজন যারা অতিথি হয়ে আসে অনুষ্ঠানে তাড়া তো আর জানে না যে বাটপার মান্নান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মাথায় টুপি পড়িয়ে হরহামেসেই ধাপ্পাবাজি করে সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে ফেলছে। প্রতারক মান্নানের খপ্পরে পড়ে অনেকেই সর্ব হাড়া, মানসম্মানের ভয়ে কেউ এই প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না।
স্থানীয় সূত্রে লোকজন বলে, এই যে প্রতারক মান্নান বিভিন্ন বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেয় কারো নাম ও পদবী বা ঠিকানা প্রকাশ করা হয়না। সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকায় প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয় যে, মানব কল্যাণ পরিষদের নামে বাটপার মান্নান প্রশিক্ষণের দোকান খুলে বসেছিল যে কিনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধষর্ণ মামলায় ১০বছর সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি সেই সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর প্রতারক মান্নান তার মাধবী লতা প্লাজার প্রশিক্ষণের দোকান গুটিয়ে গা ডাকা দিয়ে আছে। প্রতারক মান্নান কোভিট ১৯ সরকারি অনুদানের কথা বলে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে ত্রাণ আত্মসাৎ করেছে মর্মে তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ফলোয়াও করে সম্প্রচার করে কিন্তু জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার এবিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। তারই ধারাবাহিকতায় মানবিক ডিসি খ্যাত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন বিতর্কে পড়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।
জনসাধারণের হক মেরে যারা নিজেদের সমাজ কর্মী দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদের সাথে যোগসাজশে প্রসাশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা দূর্নীতি করতে সহায়তা করে। তবে চিহ্নিত প্রতারক ধষর্ণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নানের কাজই হচ্ছে বিভিন্ন যায়গায় প্রতারনা করা। দূর্নীতির দায়ে চাষাড়া মাধবী লতা প্লাজার প্রশিক্ষণের নামে দোকান ঘর বন্ধ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা ধষর্ণ মামলায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ১০ বছরের সাজা প্রদান করে। ধর্ষক মান্নান ৩৬ মাস ৩ তিন বছর জেল হাজতে কারা ভোগের পর হাইকোর্ট থেকে আপীলের শর্তে জামিন এসে পূণরায় অসামাজিক কার্যকলাপ সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। হাইকোর্টের আপীল মামলার নং ৪৮১৮/২০১০ তাছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জের সেন্টু মিয়া পিতা মৃত চাঁন মিয়া তার দীর্ঘদিনের রক্ষণাবেক্ষণায় পুকুরে মাছ চাষ করে আসলেও হঠাৎ করে ডিসির নাম ভাঙিয়ে সেই পুকুর দখলের চেষ্টা করতে গেলে স্থানীয় লোকজন উত্তম মাধ্যম দিয়ে বিতাড়িত করে দিয়েছে বলে জানা যায়।
প্রতারক মান্নানের ছোট ভাই একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ, সে এখন তরুণ দলের সদস্য। অথচ আওয়ামী লীগের সময়ে বাটপার মান্নানসহ তার মাদক ব্যবসায়ী ভাই ছাএদের উপর সরাসরি হামলা করেছে, প্রতারক মান্নান ডিসি ও এসপির নাম ভাঙিয়ে এখন মামলা বানিজ্যে মেতে উঠেছে। সদর, বন্দর, ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ১৮৮/নারী ও শিশু নির্যাতন ধষর্ণ মামলা, ফতুল্লা থানা ১৭৩/১৭ প্রতারণা মামলা, সদর থানা ৪১/২৪ প্রতারণা মামলা, বন্দর থানা ৯৭/২৪ নারী শ্লীলতাহানি ও প্রতারণার, ফতুল্লা কোট ১৩২/২৫ প্রতারণা মামলা। এতগুলো মামলার আসামি বাটপার মান্নান অথচ ডিসি এসপি তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। নারায়ণগঞ্জবাসী বলছে জেলার শীর্ষ পদক প্রতারক ও ধষর্ণ মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নানের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। অন্যথায় ভোক্তবোগীরা ডিসি ও এসপি অফিস ঘেরাও করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
Reporter Name 









