
রুহুল আমিন মন্ডল : ঢাকা ইউনিভার্সিটির হলগুলি আদু ভাইয়েরা দখল করে রাখে, আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী লীগের লোক আর বিএনপির সময় বিএনপির লোকেরা দখল করে রাখে। নীচে পোস্টি তোলে ধরা হল:
তাহলে কাহিনী এখানেই আর এটাই সন্দেহ করেছে মানুষ।সাদিক কায়েম ভিপি হওয়ার পরে ভার্সিটি এলাকার আশেপাশে ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ভিতরে একদম চাঁদাবাজ বহিরাগত, মাদক ব্যবসায়ী,মাদক সেবনকারী এবং কি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভিতরে প্রতিদিন সন্ধার পরে হাজার হাজার কল্কি ও কনডমের প্যাকেট পাওয়া যেত গত ৫৪ বছর ধরে এটা ভার্সিটির এরিয়ার সবাই জানে,এখন সেখানে সবকিছু একদম বন্ধ অনেক সুন্দর করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীর জন্য সুযোগ-সুবিধা বারিয়েছে এবং কি বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ,আর বিশ্বাস না গেলে আপনারা এসে দেখে যেতে পারেন,বর্তমান ঢাকা শহরে রাস্তাঘাটে খারাপ মেয়েদের কি দেখা যায় না কারণ ৫ই আগস্টের পরে বাংলাদেশ ইসলামী দলগুলা তাদেরকে তাড়িয়ে দিয়েছে অনেকে চাকরি দিয়েছে,এবার আমার প্রশ্ন হল ৫৪ বছরের এগুলো পরিবর্তন করতে পারলো না কেন বিএনপি আওয়ামী লীগ,গ্রামের অসহায় ছেলে মেয়েগুলো আসে ভার্সিটিতে থাকার জায়গা পাইনা তারা কারণ আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী লীগ বিএনপির সময় বিএনপি আদু ভাইয়েরা দখল করে রাখে,এবার আপনি বলুন এর জন্য কি বিএনপি জামাত ইসলামের নামে এই কাজগুলো করতে পারে,আর বিএনপি যে কাজটা করেছে সেটা হচ্ছে মুরুক্ষর পরিচয় কারন কিছুদিন পরে নির্বাচন এই মুহূর্তে কি জামাতের আমির এমন কাজ করবে এটা পাগল এটা বিশ্বাস করবে না,আর বিএনপি গত ১৮ মাসে যে ট্রায়াল দেখিয়েছে বাংলাদেশের যত খারাপ খারাপ কাজ হয়েছে সব বিএনপি করেছে আর ক্ষমতা পেলে যে কি করবে তারা দেশের জনগণ যদি না বুঝে কিছু করার নেই,তবে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারবে না এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন,এসব কাহিনী করে এতে বিএনপি ক্ষতির মধ্যে পড়েছে,গত ৬ মাসে ছাত্রদল কয়েকশত ধর্ষণ করেছে সেগুলোর প্রত্যেকটি বিচার চাওয়া হবে এখন এবং নারীদের নিয়ে নোংরা রাজনৈতিক খেলা আমরা মেনে নেব না,সবার কাছে অনুরোধ রইল এই পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন প্লিজ🙏🙏🙏
রুহুল আমিন মন্ডল 









