Dhaka 11:45 pm, Saturday, 24 January 2026

ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:49:13 pm, Tuesday, 18 November 2025
  • 189 Time View

তানজিনা লিপি: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নাসিক ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগে তাকে গত বছর (১২ ডিসেম্বর ২০২৪) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই সময়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মুহূর্তের ঘটনা হিসেবে ইকবাল হোসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক মিনহাজ আমানকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার। এরপর তিনি দলকে বিনীতভাবে আবেদন জানান বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। দল তার আবেদন গ্রহণ করেছে এবং সকল দিক বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর ২০২৫) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্বহিষ্কার বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুসারে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দল মনে করে, ইকবাল হোসেল পূর্বে নিবেদিত কর্মী হিসেবে রাজপথে অনেক আত্মত্যাগ করেছেন এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ আমলে দলের হয়ে অসংখ্যবার জেল, জুলুম ও অত্যাচার ভোগ করেছেন।

এই বিষয়ে মোবাইল ফোনে দৈনিক লাল সবুজের “দেশ”কে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেল বলেন, “স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে দলের কঠিন সময় রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে ৭৬টি মামলা করা হয়েছিল, যার কারণে একাধিকবার জেল খেতে হয়েছে। দল আমাকে প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে দিয়েছে, এজন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

মোহাম্মদ ইকবালের পুনর্বহিষ্কারের মাধ্যমে বিএনপি নেতাদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য সুদৃঢ় হবে বলে দলীয় সূত্রগুলো আশা প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেতা ও কর্মীদের মনোবল বাড়াবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রম আরও মজবুত করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

Popular Post

ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

Update Time : 09:49:13 pm, Tuesday, 18 November 2025

তানজিনা লিপি: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নাসিক ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগে তাকে গত বছর (১২ ডিসেম্বর ২০২৪) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই সময়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মুহূর্তের ঘটনা হিসেবে ইকবাল হোসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক মিনহাজ আমানকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার। এরপর তিনি দলকে বিনীতভাবে আবেদন জানান বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। দল তার আবেদন গ্রহণ করেছে এবং সকল দিক বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর ২০২৫) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্বহিষ্কার বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুসারে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দল মনে করে, ইকবাল হোসেল পূর্বে নিবেদিত কর্মী হিসেবে রাজপথে অনেক আত্মত্যাগ করেছেন এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ আমলে দলের হয়ে অসংখ্যবার জেল, জুলুম ও অত্যাচার ভোগ করেছেন।

এই বিষয়ে মোবাইল ফোনে দৈনিক লাল সবুজের “দেশ”কে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেল বলেন, “স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে দলের কঠিন সময় রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে ৭৬টি মামলা করা হয়েছিল, যার কারণে একাধিকবার জেল খেতে হয়েছে। দল আমাকে প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে দিয়েছে, এজন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

মোহাম্মদ ইকবালের পুনর্বহিষ্কারের মাধ্যমে বিএনপি নেতাদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য সুদৃঢ় হবে বলে দলীয় সূত্রগুলো আশা প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেতা ও কর্মীদের মনোবল বাড়াবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রম আরও মজবুত করবে।