Dhaka 8:59 pm, Wednesday, 11 February 2026

কৌশল কাকে বলে?

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:26:30 pm, Monday, 9 June 2025
  • 400 Time View

ড. ইউনূস একটি সূক্ষ্ম ফাঁদ পেতে রেখেছেন। তিনি অপেক্ষা করছেন— আর আপনারা ধীরে ধীরে সেই ফাঁদে পা দিচ্ছেন। অথচ বুঝতেও পারছেন না, এটি আপনাদের থামিয়ে দেওয়ার পরিকল্পিত একটি কৌশল।

চারদিকে প্রশ্ন ছড়ানো—
“বিএনপি তো এখন ক্ষমতায় নেই,
তাহলে চাঁদাবাজেরা কার ছায়ায় বেঁচে আছে?
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কেন নীরব?
কেন ধরছে না ?
কেন নিয়ন্ত্রণ করছে না ?
ড. ইউনূস কেন চুপ?
এই অপশক্তিকে দমন করছে না কেন?”

প্রশ্নগুলো বাতাসে ভাসছে, উত্তর নেই কোথাও। কিন্তু যদি গভীরভাবে দেখেন, সবকিছু স্পষ্ট। এটাই ইউনূসীয় রাজনীতি— নীরব থেকেও পুরো মাঠ দখলে রাখার কৌশল।

ড. ইউনূস জানেন, সময়ের চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিছু নেই।
তাই তিনি সময়কে তার পক্ষ নিয়ে দাঁড় করিয়েছেন।
চাঁদাবাজরা কথা বলছে, নেতারা বেপরোয়া,
পুলিশ নীরব, সেনাবাহিনী নির্বিকার।
কেন?
কারণ, সবাই জানে—
“কাল বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, আজ যদি শত্রু বানাই, কাল কে পাশে দাঁড়াবে?”

ড. ইউনূস কাউকে জেলে দিচ্ছেন না,
কিন্তু প্রতিটি অপকর্মের ভিডিও, অডিও, ছবি আর কল রেকর্ড—
ধৈর্যের ড্রাইভে জমা করছেন।
যেন বই বানানোর অপেক্ষায়,
ঠিক যেমন তিনি একদিন আমেরিকায় গিয়ে আওয়ামী লীগের “আমলনামা” বই আকারে বিতরণ করেছিলেন।

আজ আবার তিনি পাতা খুলছেন,
তৈরি হচ্ছে নতুন অধ্যায়—
নতুন নাম, নতুন অপরাধ, নতুন নাটক।

বিএনপি বলছে— “ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন ”,
ইউনূস পাত্তাই দিচ্ছেন না ।
ইউনূস আছেন সুযোগের অপেক্ষায় ,
ইউনূস দেখিয়ে দিচ্ছেন—
আপনারা কীভাবে নিজেরাই নিজেদের মুখোশ খুলে দিচ্ছেন।
নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছেন !

আর এনসিপি?
নিজেই নিজের পা ধরে টেনে নিচে নামছে।
কে কত কোটি টাকা নিচ্ছে, সেটা আজ গোপন নেই।
সংবাদপত্র তো যেন অপেক্ষাতেই থাকে—
“কবে কে ধরা পড়বে?”
একটা স্ক্যান্ডাল মানে হাজারো ভিউ, লাখো শেয়ার।

আর সাংবাদিকদের একদল?
তারা আপনাদের প্রশংসা করে ঠিকই—
কিন্তু সময়ে আপনার পিঠে ছুরি বসাতে কসুর করে না।
কেউ সতর্ক করছে না, কেউ পথ দেখাচ্ছে না।
কারণ সবাই জানে, “এই অপকর্মই একদিন বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে”।

আর তখন?

ড. ইউনূস হয়তো নিজের ঘরে বসে হেসে উঠবেন—
“এই দেশটার রাজনৈতিক চেহারা আমি বিশ্বকে দেখিয়েছি।”

এটাই তার আনন্দ, এটাই তার প্রতিশোধ।
তিনি লড়ছেন একা।
না ভয় পান আর্মি, না বিএনপি, না ভারত—
তাহলে এই সাহস তিনি কোথা থেকে পান?

আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস—
তিনি একা নন।
তার পেছনে আছে বড় কোনো শক্তি।
একটা ছায়া, যেটা আপনি দেখতে পাচ্ছেন না।

সতর্ক হোন।

এই লড়াই শুধু ভোটের না।
এটা ইতিহাসের,
এটা সত্য-মিথ্যার,
এটা জনতার আস্থা বনাম রাজনীতির ফাঁদ।

ড. ইউনূস আপনাদের বন্দু*কের ভয় পান না,
তিনি সত্যের ডকুমেন্ট তৈরি করেন।
আপনারা যদি নিজেকে বদলাতে না পারেন,
তাহলে কাল আপনাদের মুখে নাম লেখা থাকবে,
“অপকর্মের নায়ক” হিসেবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

কৌশল কাকে বলে?

Update Time : 05:26:30 pm, Monday, 9 June 2025

ড. ইউনূস একটি সূক্ষ্ম ফাঁদ পেতে রেখেছেন। তিনি অপেক্ষা করছেন— আর আপনারা ধীরে ধীরে সেই ফাঁদে পা দিচ্ছেন। অথচ বুঝতেও পারছেন না, এটি আপনাদের থামিয়ে দেওয়ার পরিকল্পিত একটি কৌশল।

চারদিকে প্রশ্ন ছড়ানো—
“বিএনপি তো এখন ক্ষমতায় নেই,
তাহলে চাঁদাবাজেরা কার ছায়ায় বেঁচে আছে?
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কেন নীরব?
কেন ধরছে না ?
কেন নিয়ন্ত্রণ করছে না ?
ড. ইউনূস কেন চুপ?
এই অপশক্তিকে দমন করছে না কেন?”

প্রশ্নগুলো বাতাসে ভাসছে, উত্তর নেই কোথাও। কিন্তু যদি গভীরভাবে দেখেন, সবকিছু স্পষ্ট। এটাই ইউনূসীয় রাজনীতি— নীরব থেকেও পুরো মাঠ দখলে রাখার কৌশল।

ড. ইউনূস জানেন, সময়ের চেয়ে বড় অস্ত্র আর কিছু নেই।
তাই তিনি সময়কে তার পক্ষ নিয়ে দাঁড় করিয়েছেন।
চাঁদাবাজরা কথা বলছে, নেতারা বেপরোয়া,
পুলিশ নীরব, সেনাবাহিনী নির্বিকার।
কেন?
কারণ, সবাই জানে—
“কাল বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, আজ যদি শত্রু বানাই, কাল কে পাশে দাঁড়াবে?”

ড. ইউনূস কাউকে জেলে দিচ্ছেন না,
কিন্তু প্রতিটি অপকর্মের ভিডিও, অডিও, ছবি আর কল রেকর্ড—
ধৈর্যের ড্রাইভে জমা করছেন।
যেন বই বানানোর অপেক্ষায়,
ঠিক যেমন তিনি একদিন আমেরিকায় গিয়ে আওয়ামী লীগের “আমলনামা” বই আকারে বিতরণ করেছিলেন।

আজ আবার তিনি পাতা খুলছেন,
তৈরি হচ্ছে নতুন অধ্যায়—
নতুন নাম, নতুন অপরাধ, নতুন নাটক।

বিএনপি বলছে— “ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন ”,
ইউনূস পাত্তাই দিচ্ছেন না ।
ইউনূস আছেন সুযোগের অপেক্ষায় ,
ইউনূস দেখিয়ে দিচ্ছেন—
আপনারা কীভাবে নিজেরাই নিজেদের মুখোশ খুলে দিচ্ছেন।
নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছেন !

আর এনসিপি?
নিজেই নিজের পা ধরে টেনে নিচে নামছে।
কে কত কোটি টাকা নিচ্ছে, সেটা আজ গোপন নেই।
সংবাদপত্র তো যেন অপেক্ষাতেই থাকে—
“কবে কে ধরা পড়বে?”
একটা স্ক্যান্ডাল মানে হাজারো ভিউ, লাখো শেয়ার।

আর সাংবাদিকদের একদল?
তারা আপনাদের প্রশংসা করে ঠিকই—
কিন্তু সময়ে আপনার পিঠে ছুরি বসাতে কসুর করে না।
কেউ সতর্ক করছে না, কেউ পথ দেখাচ্ছে না।
কারণ সবাই জানে, “এই অপকর্মই একদিন বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে”।

আর তখন?

ড. ইউনূস হয়তো নিজের ঘরে বসে হেসে উঠবেন—
“এই দেশটার রাজনৈতিক চেহারা আমি বিশ্বকে দেখিয়েছি।”

এটাই তার আনন্দ, এটাই তার প্রতিশোধ।
তিনি লড়ছেন একা।
না ভয় পান আর্মি, না বিএনপি, না ভারত—
তাহলে এই সাহস তিনি কোথা থেকে পান?

আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস—
তিনি একা নন।
তার পেছনে আছে বড় কোনো শক্তি।
একটা ছায়া, যেটা আপনি দেখতে পাচ্ছেন না।

সতর্ক হোন।

এই লড়াই শুধু ভোটের না।
এটা ইতিহাসের,
এটা সত্য-মিথ্যার,
এটা জনতার আস্থা বনাম রাজনীতির ফাঁদ।

ড. ইউনূস আপনাদের বন্দু*কের ভয় পান না,
তিনি সত্যের ডকুমেন্ট তৈরি করেন।
আপনারা যদি নিজেকে বদলাতে না পারেন,
তাহলে কাল আপনাদের মুখে নাম লেখা থাকবে,
“অপকর্মের নায়ক” হিসেবে।”