Dhaka 10:06 pm, Wednesday, 11 February 2026

ধর্ষনের ঘটনা টাকায় মীমাংসা করতে ২ বিএনপি কর্মী

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:46:12 pm, Wednesday, 9 July 2025
  • 149 Time View

সোনারগা প্রতিনিধি ; নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা টাকা দিয়ে ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির দুই কর্মী ঐ কিশোরীর পরিবারকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনা মীমাংসার জন্য চাপ দেয়। এ ঘটনায়  ৭ জুলাই  সোমবার ঐ কিশোরীর মা সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।

ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিরা হল আব্দুল্লাহ, লাল চান মিয়া ও ফয়েজ ভূঁইয়া। ঐ ঘটনা মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ ওঠা বিএনপির দুই কর্মী হল আক্কাস আলী ও সাত্তার আলী।

জানা গেছে, উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল। পথে আব্দুল্লাহ কাঁঠাল খাওয়ানোর কথা বলে তাঁর বাসায় নিয়ে যায়। পরে আব্দুল্লাহ ঐ শিক্ষার্থীকে তাঁর ঘরে নিয়ে আটকে রাখে। কিছুক্ষণ পর আরও দুই সহযোগী ফয়েজ ও লালচানকে ফোনে ডেকে নিয়ে ৩ জন মিলে ধর্ষণ করে। তাঁরা ঐ কিশোরীকে ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়।

স্কুলছাত্রীর এক আত্মীয় বলে, ‘থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের ৩  দিন পার হলেও পুলিশ কাউকে আটক করেনি।’

ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সাত্তার আলী বলে, ‘দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে তা মীমাংসা করা হয়েছে।’

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন প্রতিবেদককে বলে, ‘ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা টাকায় মীমাংসার কোনো সুযোগ নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

ধর্ষনের ঘটনা টাকায় মীমাংসা করতে ২ বিএনপি কর্মী

Update Time : 08:46:12 pm, Wednesday, 9 July 2025

সোনারগা প্রতিনিধি ; নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা টাকা দিয়ে ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির দুই কর্মী ঐ কিশোরীর পরিবারকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনা মীমাংসার জন্য চাপ দেয়। এ ঘটনায়  ৭ জুলাই  সোমবার ঐ কিশোরীর মা সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।

ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিরা হল আব্দুল্লাহ, লাল চান মিয়া ও ফয়েজ ভূঁইয়া। ঐ ঘটনা মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ ওঠা বিএনপির দুই কর্মী হল আক্কাস আলী ও সাত্তার আলী।

জানা গেছে, উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল। পথে আব্দুল্লাহ কাঁঠাল খাওয়ানোর কথা বলে তাঁর বাসায় নিয়ে যায়। পরে আব্দুল্লাহ ঐ শিক্ষার্থীকে তাঁর ঘরে নিয়ে আটকে রাখে। কিছুক্ষণ পর আরও দুই সহযোগী ফয়েজ ও লালচানকে ফোনে ডেকে নিয়ে ৩ জন মিলে ধর্ষণ করে। তাঁরা ঐ কিশোরীকে ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়।

স্কুলছাত্রীর এক আত্মীয় বলে, ‘থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের ৩  দিন পার হলেও পুলিশ কাউকে আটক করেনি।’

ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সাত্তার আলী বলে, ‘দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে তা মীমাংসা করা হয়েছে।’

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন প্রতিবেদককে বলে, ‘ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনা টাকায় মীমাংসার কোনো সুযোগ নেই।