
নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্তমান সময়ে ১৬-১৭ বছর সংসার করার পরে বিবাহবিচ্ছেদ, আবার পঞ্চাশের কোটায় বিবাহ, পুরুষ খুঁজে ভালোবাসা নারী খুঁজে নির্ভরতা, পুরুষ যেমন এক নারীতে আসক্ত হতে পারছে না, নারী ও এক পুরুষে নির্ভরশীল হতে পারছে না, প্রত্যেকে জীবনটাকে নাটক সিনেমার মতো আবেগ অনুভূতি দিয়ে বিচার করে, জীবনটা কখনো নাটকের মত হয় না। জীবন মানে সুখ থাকবে, দুঃখ থাকবে, আনন্দ থাকবে, বেদনা থাকবে, হতাশা থাকবে, ক্লান্তি থাকবে, চাওয়া না পাওয়ার ব্যর্থতা থাকবে,
একজন পুরুষ অথবা নারী পঞ্চাশে যখন বিয়ে করে তারা কিন্তু নিজেদের জন্য বিয়ে করে, ঐ সময়ের বিবাহটা একজন আরেকজনের পরিপূরক সন্তানরা বড় হয়ে যায়।
যার যার মত করে নিজেদের সংসার গুছিয়ে নেই , তখন বাবা মার দিকে সময় দেওয়ার সময় থাকে না। হয়তো কারো স্ত্রী নেই, কারো স্বামী নেই, তখনই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে অথবা দীর্ঘদিন বিবাহ বিচ্ছেদের পরে সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে কখন যে নিজের সময় পেরিয়ে গেছে সেই দিক খেয়াল করেনি। জীবনের শেষ বেলা এসে আবার দ্বিতীয় জীবন শুরু করে। তখন শরীরের কোন মোহে বা সৌন্দর্যের মোহের জন্য বিয়ে করা হয় না, তখন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় একজন আরেক জনের পরিপূরক অতীতের ভুলগুলোকে শুধরে নিয়ে নাটকের মত জীবনটাকে পরিচালনা করতে চায়। দুজন দুজনের মাঝে না পাওয়ার সময়গুলো খুঁজে ফিরে, এটা দোষের কিছু না, জীবনটা তাদের দাওনা তাদের মতো করে বাঁচতে, প্রতিটা মানুষের জীবনে নিজের জন্য শেষ বয়সের সময়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ সংসারে শুরুটা থাকে শশুর শাশুড়ির মা বাবা সন্তানদের জন্য জীবন জীবিকার যুদ্ধে পথ চলা,
তাইতো শেষ বয়সে মনে হয় এমন একজন জীবনসঙ্গী আসুক, সকল অপূর্ণতা পূর্ণতায় রূপনিক , প্রতিটা নিঃসঙ্গ মানুষের মনের কথা, পঞ্চাশের বিয়ে আসুক না কিছু পূর্ণতা নিয়ে, সমাজ শুধু তোমার দোষ খুঁজবে, তোমার ভালোলাগা তোমাকেই খুঁজে নিতে হবে।
Reporter Name 















