Dhaka 2:54 pm, Saturday, 7 March 2026
শিরোনাম :
“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র” বিদ্যুৎ মামুন’-এর বিরুদ্ধে দখল, প্রতারণা, বিদ্যুৎ চুরি ও মামলা বাণিজ্যের একাধিক অভিযোগ  স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার শহরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, প্রশাসন নীরব কেন? অবৈধ দখলের থাবায় খাস জমি ও চা বাগানের লিজভূমিতে গড়ে উঠছে আবাসিক ভবন প্রতিমন্ত্রী তালাবদ্ধ দরজার সামনের থাকা বেঞ্চে বসে আছেন, জমিদারদের অপেক্ষায় আল সামি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে এক লাখ টাকা জরিমানা মুক্তির ১ ঘন্টার মাথা পুর্বকল্পিতভাবে খুন ইমন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, প্রতারক বাদীর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান সিদ্ধিরগঞ্জের ১১ পান্ডা চাঁদাবাজি গুন্ডাবাজি দখল বাজি মামলা বাজি বিভিন্ন উপকরণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  সরকারি ও অন্যোর জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ

বগুড়ায় ঘুষের অভিযোগে এস আই জাহাঙ্গীর ক্লোজ

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:26:28 pm, Monday, 21 April 2025
  • 180 Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার- বগুড়ার শেরপুরে ঘুষের দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেরপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

২১ এপ্রিল সোমবার দুপুরে তথ্য নিশ্চিত করে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানায়, এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করার প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গত ২০ এপ্রিল তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অভিযোগে জানা যায়,, ২০২৪ সালের ১২ মে পারিবারিক কলহের জেরে আঁখি খাতুন নামে এক নারী আত্মহত্যা করে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা হয়, যেখানে থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমও ছিল।  একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে পরবর্তীতে কারেকশন করার আশ্বাস দেয়।
দীর্ঘ ১০ মাস পর, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আঁখির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই একটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে মোবারক হোসেনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
আসামি মোবারক হোসেন অভিযোগ করে, এসআই জাহাঙ্গীর আলম তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় হয়রানিমূলকভাবে মামলা দিয়ে তাদের ফাঁসানো হয়। এ সংক্রান্ত একটি ২৫ মিনিটের অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া, মোবারক হোসেন জানায়, ১৭ এপ্রিল থানায় গেলে এসআই তাকে জানিয়ে দেয়, সে মামলার আসামি। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ২০ হাজার টাকা নিয়ে দুটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৮ এপ্রিল শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ভুক্তভোগীরা।
বিষয়টি সম্পর্কে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) সজীব শাহরীন জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র”

বগুড়ায় ঘুষের অভিযোগে এস আই জাহাঙ্গীর ক্লোজ

Update Time : 07:26:28 pm, Monday, 21 April 2025

 

স্টাফ রিপোর্টার- বগুড়ার শেরপুরে ঘুষের দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেরপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

২১ এপ্রিল সোমবার দুপুরে তথ্য নিশ্চিত করে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানায়, এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করার প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গত ২০ এপ্রিল তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অভিযোগে জানা যায়,, ২০২৪ সালের ১২ মে পারিবারিক কলহের জেরে আঁখি খাতুন নামে এক নারী আত্মহত্যা করে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা হয়, যেখানে থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলমও ছিল।  একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে পরবর্তীতে কারেকশন করার আশ্বাস দেয়।
দীর্ঘ ১০ মাস পর, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আঁখির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই একটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে মোবারক হোসেনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
আসামি মোবারক হোসেন অভিযোগ করে, এসআই জাহাঙ্গীর আলম তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় হয়রানিমূলকভাবে মামলা দিয়ে তাদের ফাঁসানো হয়। এ সংক্রান্ত একটি ২৫ মিনিটের অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া, মোবারক হোসেন জানায়, ১৭ এপ্রিল থানায় গেলে এসআই তাকে জানিয়ে দেয়, সে মামলার আসামি। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ২০ হাজার টাকা নিয়ে দুটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৮ এপ্রিল শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ভুক্তভোগীরা।
বিষয়টি সম্পর্কে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) সজীব শাহরীন জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।