
তানভীর: না রায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জোট প্রার্থী মুফতি মুনির হোসেন কাসেমী বলেছে, “আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও ধানের শীষকে ভালোবাসি। আর যারা এই বিএনপিকে পরিচালনা করছে তারা যদি সাময়িক সময়ের জন্যও খেজুর গাছকে ভালোবেসে থাকে, তাহলে আমিও খেজুর গাছকে ভালোবাসি। এতে আপনাদের সঙ্গে আমার কোনো পার্থক্য নেই।”
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফতুল্লা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় কাশেমী এসব কথা বলে।
কাশেমী আরও বলে, “আমি ঘুরে ফিরে খেজুর গাছের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে ধানের শীষ দেখতে পাই। তাহলেই বুঝি- আমি জাতীয়তাবাদী নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী। আর যদি খেজুর গাছের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ধানের শীষ দেখতে না পাই, তাহলে এখনও নিজেকে বিএনপির ভালো কর্মী বলতে পারি না।”
বিএনপি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জোট প্রসঙ্গে মনির কাসেমী বলে, “আমরা জমিয়ত ও বিএনপি এখানে বসে বসে এক হইনি। এই জোট গঠন করেছিল ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া। সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমরা একসঙ্গে দেশের ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের শিকার হয়েছি, কারাবন্দী থেকেছি।” নির্বাচন প্রসঙ্গে বলে, “২১ তারিখের পর যখন মার্কা পাবো, ইনশাআল্লাহ সেই মার্কা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবো।” “আজ আমরা এখানে দোয়া চাইতে ও দোয়া করতে এসেছি- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং তাদের রেখে যাওয়া আমানত, দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য। তারেক রহমান যেন দেশের দায়িত্ব নিয়ে আমাদের সহযোগিতায় দেশকে উন্নয়নের চরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।”
এছাড়া বিএনপি ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী যেসব নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তাদের সবার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানায় মনির হোসেন কাশেমী।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিল ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফেরদৌসুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল আলম সেন্টু প্রমুখসহ আরো অনেক নেতা কর্মী।
তানভীর আহামেদ 



















