Dhaka 2:52 pm, Saturday, 7 March 2026
শিরোনাম :
“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র” বিদ্যুৎ মামুন’-এর বিরুদ্ধে দখল, প্রতারণা, বিদ্যুৎ চুরি ও মামলা বাণিজ্যের একাধিক অভিযোগ  স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার শহরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, প্রশাসন নীরব কেন? অবৈধ দখলের থাবায় খাস জমি ও চা বাগানের লিজভূমিতে গড়ে উঠছে আবাসিক ভবন প্রতিমন্ত্রী তালাবদ্ধ দরজার সামনের থাকা বেঞ্চে বসে আছেন, জমিদারদের অপেক্ষায় আল সামি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে এক লাখ টাকা জরিমানা মুক্তির ১ ঘন্টার মাথা পুর্বকল্পিতভাবে খুন ইমন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, প্রতারক বাদীর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান সিদ্ধিরগঞ্জের ১১ পান্ডা চাঁদাবাজি গুন্ডাবাজি দখল বাজি মামলা বাজি বিভিন্ন উপকরণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  সরকারি ও অন্যোর জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ

বিএনপি নেতা তাওলাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, নেপত্তে কার হাত

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:14:30 am, Monday, 3 November 2025
  • 252 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ বন্দর মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ বাজুরবাগ গ্রামের,চান মিয়া সরদারের ছেলে তাওলাদ মাহমুদ। তাওলাদ মাহমুদ রাজনীতিতে আসার আগে ২৫/৩০ বছর সে প্রবাসে ছিল, তার দুই তিনটে গার্মেন্টস ছিল, রাজনীতিতে আসার আগে তাওলাত মাহমুদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভালো ছিল এবং এই তাওলাদ মাহমুদের লাইফ স্টাইল হাই সোসাইটির ছিল বলে জানা যায়। তাওলাদ মাহমুদ বিএনপি’র মহানগরের নেতা বিধায় আওয়ামী লীগ পনের বছর ক্ষমতা থাকার সময় তাওলাত মাহমুদকে আওয়ামী লীগের নেতারা বাড়ীতে থাকতে দেয়নি, হামলা মামলা মারপিট বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, বিগত ১৫ বছরে সে তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসারে টিকমত থাকতে পারেনি।
তাওলাদ  মাহমুদ ৫ আগস্ট এর আগেও ৪৫ দিন জেল খেটেছে,  বিএনপি রাজনীতি করায় আওয়ামী লীগের নেতারা হামলা মামলা, জেল, মারপিট, লুটপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর শিকার হয়েছে কয়েকবার। আজকেও  ভুক্তভোগী তাওলাদ মাহমুদকে নিঃস্ব করে দেওয়ার পায়তারা করে যাচ্ছে  কিছু আওয়ামী দোসর ও জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীরা, যাদের পুসে রাখছে  বিএনপি’র কিছু দুস্ট নেতা।

এই প্রবীণ নেতা তাওলাদ মাহমুদ বিএনপির রাজনীতিতে আন্দোলনে রাজপথের প্রথম সারির এক যুদ্ধা। ৫ আগস্টের পর আওয়ামীলীগের নেতারা পালিয়ে গেলেও কিছু বিএনপি’র নেতা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে আওয়ামীলীগের ও জাতীয় পার্টির দোসরদের সেল্টার দিয়ে তাদের পাশে রাখছে।

উল্লেখিত নারায়ণগঞ্জ বন্দর ইউনিয়নে কিছু আওয়ামী লীগের ও জাতীয় পার্টির দোসর ওসমান পরিবারের পালিত মাদকের ডিলার ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ শিহাব উদ্দিন মেম্বারের ছেলে মনোয়ার মেম্বার, তার ভাই দেলোয়ার, তাদের বড় ভাই ইকবাল ও তাদের বোন, মুসাপুর ইউনিয়নের মেম্বার আমানুল্লাহ, বাহাউদ্দিন, আরো কিছু যুবলীগের নেতাসহ মুসাপুর ইউনিয়নের মঞ্জু মেম্বার (ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান) সহ আরো অনেক আওয়ামী লীগ দোসরদের ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি’র মহানগরের নেতা এডভোকেট সাখাওয়াত এডভোকেট টিপু, এডভোকেট আনোয়ার মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার।  মুছাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর বিরুদ্ধে  অসংখ্য অভিযোগ আছে যে, বিগত ১৫ বছরে মেম্বার থাকা অবস্থায় ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পরপর মানুষের জন্ম নিবন্ধন মৃত্যুর সনদ,  ট্রেড লাইসেন্স নানান সার্টিফিকেটেসহ অনেক অবৈধ  লাইসেন্স বানানো এবং অন্যের জমিতে দখল করে  অবৈধভাবে ড্রেজারে বালু উত্তোলন করা, চাঁদা টাকার বিনিময়ে একজনের জমি জোরপূর্বক আরেকজনকে বুঝিয়ে দেওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,  তার নামে একাধিক মামলা থাকা সত্বেও মুসাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু কার শেল্টারে ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছে ও গ্রেফতার এরিয়ে যাচ্ছে মুসাপুর ইউনিয়নবাসী জানতে চায়।  এডভোকেট সাখাওয়াতের নির্দেশে  মুসাপুর ইউনিয়নবাসীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আওয়ামী দোসর শাহিন।

ভুক্তভোগী আরো জানায়, এডভোকেট সাখাওয়াতের নির্দেশে বন্দর থানার ওসি মামলা নেয় ও আসামি ধরে, মামলা থেকে আসামীর নাম বাদ দেয়। বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী এডভোকেট সাখাওয়াতের  নির্দেশ ছাড়া একটা সাধারণ মানুষের অভিযোগেরও তদন্ত করে না বলে ভুক্তভোগী পরিবার।
সুত্রমতে, তাওলাত মাহমুদের সাথে আওয়ামী লীগের দোসরদের মূল ঘটনার ইস্যু হচ্ছে মুছাপুর ইউনিয়নে লাঙ্গল বন্দের বাবু আলি নামের এক লোকের ওয়ারিশ সনদে অন্য এক মহিলাকে মনোয়ার মেম্বার ও লাভলী মেম্বারনির নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু বাবু আলীর এক মেয়ে ও এক ছেলের সাথে ওয়ারিশ সনদে এক মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। এই ব্যাপার নিয়ে তাওলাদ কথা বলায় মঞ্জু চেয়ারম্যান লাভলী মেম্বারকে নিয়ে মনোয়ার মেম্বারকে দিয়ে তাওলাত মাহমুদের নামে উল্ট সমাবেশ ও নানা অপ-প্রচার চালাচ্ছিল। তাওলাম মাহমুদ তাদের মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও সমাবেশ করার সূত্র ধরে মনোয়ার মেম্বারসহ তাদের আরো গুন্ডা পান্ডা প্রকাশে তাওলাত মাহমুদকে মারধর করে, তাওলাত মাহমুদ এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ করে,  মামলা রুজু হওয়রব পরেও বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী তাদের গ্রেফতার  না করে এডভোকেট সাখায়াতের কথায় নীরব ছিল বলে জানায় এবং আসামীরা আদালতে সাখোয়াতের মাধ্যমে জিন নেয়। এই মামলা তোলার জন্য বিবাদী মনোয়ার মেম্বার, লাভলী মেম্বানী ও বাহাউদ্দিন, আমানুল্লাহ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু ও ইকবাল আরো ১০/ ১২ জন সিন্ত্রাসী নিয়ে গিয়ে তাওলাদ মাহমুদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে, লুটপাট মারধোর করে আসে এবং হুমকি দিয়ে আসে মামলা তুলে না নিলে বাড়িঘর রাতের আধারে আগুনে জ্বালিয়ে দিবে। তাওলাত মাহমুদ বন্দর থানায় গিয়ে আবারো অভিযোগ দায়ের করে। মামলা ও অভিযোগের কোন সারা দেয়নি বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী।

সর্বশেষ ঘটনার দিন তাওলাদ মাহমুদ লাঙ্গলবন বাজারে গিয়েছিল, ঐ সময় বন্দর মূসাপুর ইউনিয়নের বিএনপি’র সেক্রেটারি শাহীনের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুরসহ লাভলি, মনোয়ার, ইকবাল, বাহাউদ্দিন, আমানুল্লাহ,ও আরো আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপি’র প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা তাওলাদ মাহমুদকে প্রকাশ্যে এ কুপিয়ে জখম করে, বর্তমানে  গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। বন্দর থানার ওসিলিয়াকত আলী এডভোকেট সাখাওয়াতের হুকুমে দুই দিনের ছুটি নিয়েছে বকে দূরে সরে যায় আর এই সুযোগে এডভোকেট সাখাওয়াতের হুকুমে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার বিএনপি’র এডভোকেট আনোয়ার আসামিদের জামিন করে দেয়। এমন অবস্থায় বিএনপি’র নেতাদের শেল্টারে বিএনপি প্রবীণ নেতা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের দোসরদের কাছে নির্যাতিত ও হামলার শিকার হয়েছ।

এ বিষয়ে তাওলাদ মাহমুদের ফ্যামিলি বিএনপির কর্নধার তারেক রহমানের কাছে আবেদন করে বলে, আওয়ামী দোসরদের ও তাদের শেল্টার দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবী জানায় এবং সুষ্ঠ বিচারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র”

বিএনপি নেতা তাওলাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, নেপত্তে কার হাত

Update Time : 06:14:30 am, Monday, 3 November 2025

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ বন্দর মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ বাজুরবাগ গ্রামের,চান মিয়া সরদারের ছেলে তাওলাদ মাহমুদ। তাওলাদ মাহমুদ রাজনীতিতে আসার আগে ২৫/৩০ বছর সে প্রবাসে ছিল, তার দুই তিনটে গার্মেন্টস ছিল, রাজনীতিতে আসার আগে তাওলাত মাহমুদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভালো ছিল এবং এই তাওলাদ মাহমুদের লাইফ স্টাইল হাই সোসাইটির ছিল বলে জানা যায়। তাওলাদ মাহমুদ বিএনপি’র মহানগরের নেতা বিধায় আওয়ামী লীগ পনের বছর ক্ষমতা থাকার সময় তাওলাত মাহমুদকে আওয়ামী লীগের নেতারা বাড়ীতে থাকতে দেয়নি, হামলা মামলা মারপিট বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, বিগত ১৫ বছরে সে তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসারে টিকমত থাকতে পারেনি।
তাওলাদ  মাহমুদ ৫ আগস্ট এর আগেও ৪৫ দিন জেল খেটেছে,  বিএনপি রাজনীতি করায় আওয়ামী লীগের নেতারা হামলা মামলা, জেল, মারপিট, লুটপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর শিকার হয়েছে কয়েকবার। আজকেও  ভুক্তভোগী তাওলাদ মাহমুদকে নিঃস্ব করে দেওয়ার পায়তারা করে যাচ্ছে  কিছু আওয়ামী দোসর ও জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীরা, যাদের পুসে রাখছে  বিএনপি’র কিছু দুস্ট নেতা।

এই প্রবীণ নেতা তাওলাদ মাহমুদ বিএনপির রাজনীতিতে আন্দোলনে রাজপথের প্রথম সারির এক যুদ্ধা। ৫ আগস্টের পর আওয়ামীলীগের নেতারা পালিয়ে গেলেও কিছু বিএনপি’র নেতা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে আওয়ামীলীগের ও জাতীয় পার্টির দোসরদের সেল্টার দিয়ে তাদের পাশে রাখছে।

উল্লেখিত নারায়ণগঞ্জ বন্দর ইউনিয়নে কিছু আওয়ামী লীগের ও জাতীয় পার্টির দোসর ওসমান পরিবারের পালিত মাদকের ডিলার ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ শিহাব উদ্দিন মেম্বারের ছেলে মনোয়ার মেম্বার, তার ভাই দেলোয়ার, তাদের বড় ভাই ইকবাল ও তাদের বোন, মুসাপুর ইউনিয়নের মেম্বার আমানুল্লাহ, বাহাউদ্দিন, আরো কিছু যুবলীগের নেতাসহ মুসাপুর ইউনিয়নের মঞ্জু মেম্বার (ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান) সহ আরো অনেক আওয়ামী লীগ দোসরদের ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপি’র মহানগরের নেতা এডভোকেট সাখাওয়াত এডভোকেট টিপু, এডভোকেট আনোয়ার মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার।  মুছাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর বিরুদ্ধে  অসংখ্য অভিযোগ আছে যে, বিগত ১৫ বছরে মেম্বার থাকা অবস্থায় ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পরপর মানুষের জন্ম নিবন্ধন মৃত্যুর সনদ,  ট্রেড লাইসেন্স নানান সার্টিফিকেটেসহ অনেক অবৈধ  লাইসেন্স বানানো এবং অন্যের জমিতে দখল করে  অবৈধভাবে ড্রেজারে বালু উত্তোলন করা, চাঁদা টাকার বিনিময়ে একজনের জমি জোরপূর্বক আরেকজনকে বুঝিয়ে দেওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,  তার নামে একাধিক মামলা থাকা সত্বেও মুসাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু কার শেল্টারে ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছে ও গ্রেফতার এরিয়ে যাচ্ছে মুসাপুর ইউনিয়নবাসী জানতে চায়।  এডভোকেট সাখাওয়াতের নির্দেশে  মুসাপুর ইউনিয়নবাসীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আওয়ামী দোসর শাহিন।

ভুক্তভোগী আরো জানায়, এডভোকেট সাখাওয়াতের নির্দেশে বন্দর থানার ওসি মামলা নেয় ও আসামি ধরে, মামলা থেকে আসামীর নাম বাদ দেয়। বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী এডভোকেট সাখাওয়াতের  নির্দেশ ছাড়া একটা সাধারণ মানুষের অভিযোগেরও তদন্ত করে না বলে ভুক্তভোগী পরিবার।
সুত্রমতে, তাওলাত মাহমুদের সাথে আওয়ামী লীগের দোসরদের মূল ঘটনার ইস্যু হচ্ছে মুছাপুর ইউনিয়নে লাঙ্গল বন্দের বাবু আলি নামের এক লোকের ওয়ারিশ সনদে অন্য এক মহিলাকে মনোয়ার মেম্বার ও লাভলী মেম্বারনির নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু বাবু আলীর এক মেয়ে ও এক ছেলের সাথে ওয়ারিশ সনদে এক মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। এই ব্যাপার নিয়ে তাওলাদ কথা বলায় মঞ্জু চেয়ারম্যান লাভলী মেম্বারকে নিয়ে মনোয়ার মেম্বারকে দিয়ে তাওলাত মাহমুদের নামে উল্ট সমাবেশ ও নানা অপ-প্রচার চালাচ্ছিল। তাওলাম মাহমুদ তাদের মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও সমাবেশ করার সূত্র ধরে মনোয়ার মেম্বারসহ তাদের আরো গুন্ডা পান্ডা প্রকাশে তাওলাত মাহমুদকে মারধর করে, তাওলাত মাহমুদ এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ করে,  মামলা রুজু হওয়রব পরেও বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী তাদের গ্রেফতার  না করে এডভোকেট সাখায়াতের কথায় নীরব ছিল বলে জানায় এবং আসামীরা আদালতে সাখোয়াতের মাধ্যমে জিন নেয়। এই মামলা তোলার জন্য বিবাদী মনোয়ার মেম্বার, লাভলী মেম্বানী ও বাহাউদ্দিন, আমানুল্লাহ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু ও ইকবাল আরো ১০/ ১২ জন সিন্ত্রাসী নিয়ে গিয়ে তাওলাদ মাহমুদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে, লুটপাট মারধোর করে আসে এবং হুমকি দিয়ে আসে মামলা তুলে না নিলে বাড়িঘর রাতের আধারে আগুনে জ্বালিয়ে দিবে। তাওলাত মাহমুদ বন্দর থানায় গিয়ে আবারো অভিযোগ দায়ের করে। মামলা ও অভিযোগের কোন সারা দেয়নি বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী।

সর্বশেষ ঘটনার দিন তাওলাদ মাহমুদ লাঙ্গলবন বাজারে গিয়েছিল, ঐ সময় বন্দর মূসাপুর ইউনিয়নের বিএনপি’র সেক্রেটারি শাহীনের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুরসহ লাভলি, মনোয়ার, ইকবাল, বাহাউদ্দিন, আমানুল্লাহ,ও আরো আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপি’র প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা তাওলাদ মাহমুদকে প্রকাশ্যে এ কুপিয়ে জখম করে, বর্তমানে  গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। বন্দর থানার ওসিলিয়াকত আলী এডভোকেট সাখাওয়াতের হুকুমে দুই দিনের ছুটি নিয়েছে বকে দূরে সরে যায় আর এই সুযোগে এডভোকেট সাখাওয়াতের হুকুমে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার বিএনপি’র এডভোকেট আনোয়ার আসামিদের জামিন করে দেয়। এমন অবস্থায় বিএনপি’র নেতাদের শেল্টারে বিএনপি প্রবীণ নেতা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের দোসরদের কাছে নির্যাতিত ও হামলার শিকার হয়েছ।

এ বিষয়ে তাওলাদ মাহমুদের ফ্যামিলি বিএনপির কর্নধার তারেক রহমানের কাছে আবেদন করে বলে, আওয়ামী দোসরদের ও তাদের শেল্টার দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবী জানায় এবং সুষ্ঠ বিচারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।