
আবুল বাসার: আওয়ামী দোসর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামিসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি চিহ্নিত প্রতারক মান্নানসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করা না হলে নির্বাচনে সহিংসতা, নৈরাজ্য ও নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানা যায়। সুশীল সমাজ তাদের গ্রেফতার চায়।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার আইনশৃঙ্খলা কঠোর অবস্থানে রাখার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে উল্টো চিত্র। এখনো গ্ৰেফতার হয়নি আওয়ামী দোসর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি চিহ্নিত প্রতারক ধর্ষক মান্নান। প্রতারক মান্নানের ছোট ভাই ইমতিয়াজ সহ তার চেলাচামুন্ডারা নির্বাচন বাংচাল করার জন্য নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে। যার ফলে সংসদ প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ রয়েছে আতংকে।
প্রতারক মান্নানের রয়েছে সক্রিয় একটি প্রতারক চক্র এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র লীগে সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভূমিকা। প্রতারক মান্নান যখন যে দল ক্ষমতায় যায় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে এবং নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলা ও ফেক আইডি দিয়ে অপপ্রচার চালায়। প্রতারক মান্নান সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক সরকারি নিবন্ধন ব্যবহার করে তার মানব কল্যাণ পরিষদের তথাকথিত সংগঠনের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। এখন কথা হল সরকার কি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি এবং ধর্ষন মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি প্রতারক মান্নান কে প্রতারণা চাঁদাবাজি করার লাইসেন্স দিয়েছে?
ইতিমধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদপ্তর মহাপরিচালকের নিকট সহ স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।
প্রতারক মান্নান শুধু বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যার মামলার আসামি নন তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। যাত্রা বাড়ী থানা হত্যা মামলা নং ৪৩(১১)২৫ খ্রি, ফতুল্লা থানা হত্যা চেষ্টা মামলা নং ০১(১২)২৪ খ্রি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ধর্ষন মামলা নং ১৭৪/৬ এই মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত। বন্দর থানা মামলা নং ৯৭/২৪, সদর থানা মামলা নং ৪১/২৪, সি আর ২২৫/২৫ খ্রি: সি আর ৭৫০/২৫ খ্রী তা ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় রয়েছে একাধিক অভিযোগ। সিদ্ধিরগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে চাঁদাবাজি ও স্থানীয় বাড়িওয়ালা সেন্টু মিয়ার ছেলে সানমুন এর নিকট থেকে চাঁদাবাজির দায়ে সাধারণ ডায়রি ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
প্রতারক মান্নান পাঠানটুলী আইল পাড়া কবরস্থান রোড ভাড়া বাড়িতে থেকে তার অরাজকতা নৈরাজ্য নাশকতার সহ একাধিক অপকর্ম করে যাচ্ছে যা প্রসাশনের ভুমিকা নিরব থাকায় জনগণের ক্ষোভ প্রকাশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একজন ভাড়াটিয়া অএ এলাকায় অবৈধ কর্মকান্ড ও সরকার বিরোধী নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে যা আগামী নির্বাচন নওশাৎ করার উদ্দেশ্যে উঠে পড়ে লেগেছে এই প্রতারক চক্র। তাই সরকারের উচিত দ্রুত এই সমস্ত অপরাধীদের গ্ৰেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা। তাহলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।
প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হাজিরা থাকলেও হত্যা মামলা থাকায় গ্ৰেফতারের ভয়ে আদালতে উপস্থিত না হয়ে পালিয়ে পালিয়ে বিভিন্ন ভুয়া ও ফেক ফেসবুক আইডি দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ বলছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতারক মান্নান বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। আর এখন সেই চিহ্নিত প্রতারক নিজেই এখন হত্যা মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে জিবনযাপন করছে। প্রতারক মান্নান এর বিরুদ্ধে আরো বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৈনিক পত্রিকায়।
আবুল বাসার 


















