
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ প্রতারক ও আওয়ামী দোসর মান্নানের টাকায় ও নারী লিপ্সায় তদন্ত ছাড়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে থানা পুলিশ। অনেক মামলার আসামী ও চিহ্নিত প্রতারকের সহয়তায় আওয়ামী সন্ত্রাসী বরিশাল্লাইয়া মাকসুদের মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করায় এই দাগী আসামী মান্নান ভুইয়া। পুলিশের এক কর্মকর্তা ও ওসিকে মোটা অংকের ঘূষ দিয়ে মামলা করায় এই বাটপার ও দালাল মান্নান।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আশ্রাফ বলে, আমি অভিযোগ নিয়ে কোন তদন্ত করি নাই, মামলা রুজু করে আমাকে দিয়েছে। আমি যা করেছি তা আমার উর্ধ্বতন স্যারদের কথায় করেছি। আমি ডিএসবিতে বদলি হয়েছি,এখন অন্য জনকে দায়িত্ব দিয়েছে। আমি সাংবাদিক সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে চাদাবাজীর ঘটনার কোন সত্যতা পাই নাই, আমাকে বাদীর মাধ্যমে চাপ দিয়ে ও মান্নান নামের এক লোক পুলিশের স্যার দিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করিয়েছে।
এব্যাপারে ওসি শরিফুল তার অফিসে সকলের সামনে সাংবাদিক সুলতান মাহমুদকে বলে, আপনার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়াটা আমার অমানবিক হয়েছে, আমি স্যারদের পেসারে নিয়েছি। ওসি আরো বলে আলফা ৩ তারিক আল মেহেদি স্যার এই অভিযোগ তদন্ত করেছে এবং আমাকে নির্দেশ দিয়েছে মামলা নিতে।
এ ব্যাপারে আলফা ৩ তারিক আল মেহেদীকে কল করলে প্রতিবেদকের প্রশ্নের কোন উওর দিতে পারে নাই, অভিযোগের তদন্ত সে নিজে করেছে, নাকি কোন ইন্সপেক্টর দিয়ে করিয়েছে, নাকি কোন এস আই দিয়ে করিয়েছে?? সামনে এসে কথা বলতে বলে তারিক আল মেহেদি। পরের দিন তার অফিসে গেলে দেখা যায় তিনি অফিসে তারিক আল আসেন নাই। কিসের ভিত্তিতে মেহেদি মিথ্যা মামলা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তার উওর তাকে দিতে হবে?? মাঠে আছে আমাদের চৌকশ তদন্ত টিম। চোখ রাখুন দপ্তরবার্তা, সময়েরচিন্তা ও ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিভি পোর্টালে।
Reporter Name 



















