
আকলিমা রাহাত খান আখি : মুসলিম প্রধান দেশে রাতভর নগ্ন গানের ও মাদকের আড্ডা চলে কিভাবে প্রশ্ন এলাকাবাসীর? আর পুলিশ প্রশাসন কিভাবে চুপ বসে তগাকে, তাদের দায়িত্ব কি? জানতে চায় নারায়ণগঞ্জবাসী। কিছু কিছু মানুষ টাকার নেশায় অন্ধ। যেভাবেই হোক টাকা ইনকাম করতে হবে, হোক সেটা বৈধ অথবা অবৈধ পথে। মুসলিম প্রধান দেশে রাতভর নগ্ন গানের আসর চলতে পারে না বলেই দাবী এলাকাবাসীর। ফতুল্লা থানার একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলে ৫ ই আগস্টের পর কি করে এই নগ্ন গানের আসর চলতে পারে এলাকায়, ওসির শেল্টারে কি চলছে এমন নগ্ন গানের আসর।
প্রশাসন আসে এবং যায় কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয় না তার মানে কি বোঝা যায়? ওসি ফতুল্লা থানার কাজটাই বা কি? ফতুল্লা থানার জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ডের পাশে কড়ইতলা আওয়ামী লীগের দোসর কথিত বাউল সুমন ও চান মিয়া দীর্ঘদিন যাবত সারা রাত নগ্ন গানের আসর বসিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে নগদ টাকা।এই গানের আসর বসার কারণে এলাকায় বাড়ছে ছিনতাই ও চুরির মত ঘটনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী বলে, সুমন ও চান মিয়ার নগ্ন গানের আসরে প্রতিদিন বসে নেশা খোরদের আড্ডা ও সেবন করা হয় মাদক। এতে এলাকাবাসী চরম হতাশায় ভুগছে।
সুমন গংরা বলে, ওসি ফতুল্লাকে ম্যানেজ করে এই গানের আসল চালাই। ফতুল্লা থানা এলাকায় অনেক জায়গায় নগ্ন গানের আসর সারা রাত বসে। এদের মধ্যে অন্যতম সুমন, চান মিয়া, ইমরান দেওয়ান, মিজান ভান্ডারীসহ আরো অনেকেই।
এ বিষয়ে ওসি ফতুল্লা বলে, “আমরা কোন নগ্ন গানের আসর বসার জন্য অনুমতি দেই নাই। গতকালও ভুই ঘর থেকে কয়েকজনকে আটক করেছি।” ওসি মান্নান আরো বলে, ” তারা আমাদের কাছে আসছিল আমরা বলেছি ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত করতে পারবেন এরপর আর পারবেন না।”
কিন্তু তারা সারা রাত চালায় কিচাবে? বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুুুুশীল সমাজ।
আকলিমা রাহাত খান আখি 















