
সৃষ্টি ও সুরঙ্গ’
(রজতজয়ন্তী পর বলছি……!)
——————————————-
হায় সুরঙ্গ!
কতো অনন্য তুমি।
সৃষ্টির সূচনা হইতে আজ অবদি তুমি অজেয়।
ভাবা যায়!
পৃথ্বীর কতো মহাজ্ঞানী,মহাবীর আর মহাপুরুষ
স্রেফ তলিয়ে গেছে তোমার রহস্যের অতলে!
আমি মূর্খ তোমার জাদু সম্পর্কে
সৌভাগ্যক্রমে অবগত হয়ে গিয়েছিলাম
তোমাতে প্রবেশের অল্প সময়ের মধ্যেই।
তাইতো আমি মাতিনি তোমার সীমা বা
তোমায় নিয়ে।
আমি শুধুই ভক্ত বনে গেছি।
আমি বুঝে গিয়েছিলাম তোমার সুধাপানের পরেই,
তুমি সৃষ্টিকর্তার এমনই এক
সহজ দর্শন অথচ অজেয় এক ধাঁধা,
যেখানে স্বয়ং সৃষ্টি জড়িয়ে!
হ্যাঁ,
বোধোদয় হবার পঁচিশ বছর পর আজ
এই উচ্চারণ আমার।
পৃথিবীর যতো বড়ো গুণীজন হোন না কেনো,
‘সৃষ্টি ও সুরঙ্গের’ বাইরে কোন তত্ত্ব জাহির করলে,
আমি তা কোনভাবেই মানিনা,মানবোনা।
তথাকথিত সভ্য(আমি অসভ্য জ্ঞান করি) সমাজ-
যেকোনো অপবাদ সেঁটে দিক না কেনো,
মানছিনা আমি।
কেননা ওটা আমার বিশ্বাস।
দ্বিমত পোষনকারী গুণী হে!
আমি খুবই দুঃখিত,
অধমের ধৃষ্টতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন- দয়াকরে।
তা যদি কবুল না হয়,
তাহলে আমি সহাস্যে-
আমার ফাঁসির দাবি রেখে গেলাম।
#রাসেল-আদিত্য ২৩২৫
Reporter Name 













