
ওসমান হাদীর হত্যার সাথে জড়িত অপরাধীকে গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অযুহাত ভোলার লালমোহন থানার ওসির। “প্রপার’স লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন ” এর পক্ষ থেকে ওসির পত্যাহার ও শাস্তি দাবী করছি। ফেসবুক স্টাটাস হুবহুব তোলে ধরা হল:
ওসমান হাদীকে হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীরের অন্যতম সহযোগী ভোলার লালমোহনের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা মোক্তার। সন্ত্রাসী ফয়সাল ও আলমগীরের সাথে একাধিক ছবি প্রমান করে মোক্তারের সাথে তাদের সখ্যতা। উক্ত মোক্তার ওসমান হাদির ঘটনার পর এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছে মর্মে আমার কাছে খবর আসলে, আমি ১০০% নিশ্চিত হয়ে ভোলার ডিসি, এসপি ও ওসি লালমোহনকে মেনশন করে প্রমাণসহ ফেসবুকে পোষ্ট দিলে মুহুর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে।
পোষ্টটি ভাইরাল হলেও ভোলার প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বাধ্য হয়ে আমি ওসি লালমোহনকে কল দিয়ে বিস্তারিত জানাই এবং তার হোয়াটস্যাপ নাম্বারে সকল তথ্য দেই। অপরাধীকে গ্রেফতারে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অযুহাত দিলেন, তাদের অনুমতি লাগব, কোন থানায় মামলা আছে কি না ব্লা ব্লা আমি বিরক্ত হয়ে বললাম আমি জানিয়েছি বাকি আপনার ইচ্ছা। ফোন রাখার কিছুক্ষণ পর উনি ( ওসি লালমোহন ) আমাকে ফের ফোন ব্যাক করলেন, আমার সোর্স সম্পর্কে তথ্য চাইলেন, আমি যতটা সম্ভব সোর্সের নিরাপত্তা বজায় রেখে তথ্য দিলাম। ৩দিন পার হয়ে গেলো! দেশের এতো বড় একটি আলোচিত ঘটনায় পরোক্ষভাবে জড়িত অপরাধীকে গ্রেফতার তো দুরের কথা থানায় ডেকে জিজ্ঞাবাদটুকুও করা হলোনা!
উক্ত বিষয়ে আমি ফেসবুকে পোষ্ট দেয়ার পর মোক্তার বিভিন্ন মাধ্যমে আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে এমনকি আমাকে ৫ লাখ টাকাও অফার করেছে। আমি সরাসরি প্রত্যাক্ষান করেছি।
আজ ওসমান হাদী নেই, চলে গেছে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে। কিন্ত আমরা কি জবাব দিব আর আপনারা কি জবাব দিবেন হাদির নিষ্পাপ ছোট্র শিশুর কাছে? তাহলে এটাই প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, যারা এদেশকে সত্যিকারের ভালোবাসবে তারাই মরবে অকাতরে! কিন্তু দেশদ্রোহী, সন্ত্রাসীদের কোনো শাস্তি হবে না।
শিমু বিল্লাহ 



















