Dhaka 2:49 pm, Saturday, 7 March 2026
শিরোনাম :
“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র” বিদ্যুৎ মামুন’-এর বিরুদ্ধে দখল, প্রতারণা, বিদ্যুৎ চুরি ও মামলা বাণিজ্যের একাধিক অভিযোগ  স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার শহরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, প্রশাসন নীরব কেন? অবৈধ দখলের থাবায় খাস জমি ও চা বাগানের লিজভূমিতে গড়ে উঠছে আবাসিক ভবন প্রতিমন্ত্রী তালাবদ্ধ দরজার সামনের থাকা বেঞ্চে বসে আছেন, জমিদারদের অপেক্ষায় আল সামি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে এক লাখ টাকা জরিমানা মুক্তির ১ ঘন্টার মাথা পুর্বকল্পিতভাবে খুন ইমন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, প্রতারক বাদীর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান সিদ্ধিরগঞ্জের ১১ পান্ডা চাঁদাবাজি গুন্ডাবাজি দখল বাজি মামলা বাজি বিভিন্ন উপকরণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  সরকারি ও অন্যোর জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ

শামীম ও অয়নের বিশাল কর ফাকি, তদন্তের নির্দেশ

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:55:00 pm, Tuesday, 18 March 2025
  • 174 Time View

আবু সালাম: নারায়ণগঞ্জ’র সাবেক প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ’,বিটিআরসি’র বিশাল অংকের টাকার কর ফাঁকি দিয়েছে প্রতারক শামীম ও তার ছেলে অয়ন ওসমান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিটিআরসি’র ১২৬ কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর বেঞ্চ এক রিটের বিপরীতে এ আদেশ দেন।

এ আদেশ পাওয়ার ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।

‘কে টেলিকম’ নামে একটি কোম্পানি, যার মালিকানার সাথে শামীম ওসমান ও তার স্ত্রী, ছেলের নাম রয়েছে, ওই কোম্পানির মাধ্যমে বিটিআরসি’র ১২৬ কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে। এই বিষয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন সাখাওয়াত হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তার সেই আবেদনের শুনানিতে তদন্তের আদেশ দেয় হাই কোর্ট।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, “ওসমান পরিবারের জালিয়াতির ঘটনা তদন্ত করে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে হাই কোর্ট। কে টেলিকমের মালিক ছিল নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পরিবার। শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান ও ছেলে ইমতিনান ওসমানের নামে ২০১২ সালে ১৫ বছরের জন্য কে টেলিকমের লাইসেন্স নেওয়া হয়।”

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট ওসমান পরিবার ‘কে টেলিকম’র মালিকানা সাখাওয়াত হোসেন, সিলেটের স্কুলশিক্ষক দেবব্রত চৌধুরী ও বগুড়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী রাকিবুল ইসলামের নামে হস্তান্তর করে। বিটিআরসির ১২৬ কোটি টাকা ফাঁকি দিতে শামীম ওসমান এ তিনজনকে মালিক সাজিয়েছিলেন।

এদিকে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নারায়ণগঞ্জ শহরছাড়া শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যরা। তারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র”

শামীম ও অয়নের বিশাল কর ফাকি, তদন্তের নির্দেশ

Update Time : 05:55:00 pm, Tuesday, 18 March 2025

আবু সালাম: নারায়ণগঞ্জ’র সাবেক প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ’,বিটিআরসি’র বিশাল অংকের টাকার কর ফাঁকি দিয়েছে প্রতারক শামীম ও তার ছেলে অয়ন ওসমান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিটিআরসি’র ১২৬ কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর বেঞ্চ এক রিটের বিপরীতে এ আদেশ দেন।

এ আদেশ পাওয়ার ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।

‘কে টেলিকম’ নামে একটি কোম্পানি, যার মালিকানার সাথে শামীম ওসমান ও তার স্ত্রী, ছেলের নাম রয়েছে, ওই কোম্পানির মাধ্যমে বিটিআরসি’র ১২৬ কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে। এই বিষয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন সাখাওয়াত হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তার সেই আবেদনের শুনানিতে তদন্তের আদেশ দেয় হাই কোর্ট।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, “ওসমান পরিবারের জালিয়াতির ঘটনা তদন্ত করে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে হাই কোর্ট। কে টেলিকমের মালিক ছিল নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পরিবার। শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান ও ছেলে ইমতিনান ওসমানের নামে ২০১২ সালে ১৫ বছরের জন্য কে টেলিকমের লাইসেন্স নেওয়া হয়।”

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট ওসমান পরিবার ‘কে টেলিকম’র মালিকানা সাখাওয়াত হোসেন, সিলেটের স্কুলশিক্ষক দেবব্রত চৌধুরী ও বগুড়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী রাকিবুল ইসলামের নামে হস্তান্তর করে। বিটিআরসির ১২৬ কোটি টাকা ফাঁকি দিতে শামীম ওসমান এ তিনজনকে মালিক সাজিয়েছিলেন।

এদিকে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নারায়ণগঞ্জ শহরছাড়া শামীম ওসমান ও তার পরিবারের সদস্যরা। তারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।