Dhaka 8:40 am, Tuesday, 10 February 2026

স্বীকৃত চাঁদাবাজ’ সুজনকে নিজ বলয়ে নিল কালামপুত্র আশা

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:22:34 am, Sunday, 18 January 2026
  • 41 Time View
  1. রুহুল আমিন নানা ভাই : স্বীকৃত চাঁদাবাজ’ সুজনকে নিজ বলয়ে নিল কালামপুত্র আশা, সুজন টিপু ছেড়ে আশার কোলে।পিতা এমপি নির্বাচিত না হতেই চাঁদাবাজদের নিজ বলয়ে ভীড়াচ্ছে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। যাকে চাঁদাবাজ ঘোষণা করে যার গ্রেপ্তার দাবি করেছিল সেই চাঁদাবাজের হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিক্ত হচ্ছে আশা। সেই স্বীকৃত চাঁদাবাজ সাখাওয়াত বলয়ে ছেড়ে টিপু বলয়ে রাজনীতি করেছে, সেই টিপুকে পল্টি দিয়ে এবার কালাম বলয়ে আশার হাত ধরে ভীড়ছে। বন্দরে এই চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। আশার সঙ্গে সেই চাঁদাবাজ সুজনের ফুল দেয়া নেয়া দেখে হতাশ হয়েছে বন্দরবাসী।
  2. নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সম্রাট হাসান সুজনকে বন্দরের স্বীকৃত চাঁদাবাজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল আবুল কাউসার আশা। অথচ সেই চাঁদাবাজের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেছে আশা নিজেই। এই চাঁদাবাজ সুজনের কারনেই বিএনপির অপর গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে বেদম পিটুনি খেয়েছিল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। ঘটেছিল পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা। সম্প্রতি আশাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সুজন। এই শুভেচ্ছা জানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
  3. গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তীতে বিএনপি কর্মী নূর হোসেন ওরফে নুরু মিয়ার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সুজন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নাম ভাঙ্গিয়ে এই চাঁদা দাবি করে বলে গণমাধ্যমে জানায় নূর হোসেন। ঐ ঘটনা নিয়ে সুজন ও নূর হোসেন গ্রুপের মাঝে বন্দরে বিরোধের সৃষ্টি হয়। নূর হোসেন বিএনপি নেতা আবুল কাউসার আশা গ্রুপের কর্মী। ঐ সময় আশা নূর হোসেনের পক্ষ নিয়ে সুজনকে স্বীকৃত চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে।
    ঐ বিরোধের বিষয়ে নূর হোসেন ও তার সহযোগীরা টিপুুর দ্বারস্ত হলেও টিপু সুজনের পক্ষ নিয়ে উল্টো নূর হোসেনকে হুমকি ধমকি দেয়। যার ফলশ্রুতিতে ঐ বছরের ৬ সেপ্টেম্বর টিপু বন্দরে গেলে টিপুকে গণপিটুনি দেয় নূর হোসেনসহ তার লোকজন। এ নিয়ে টিপু বাদী হয়ে আতাউর রহমান মুকুল, আবুল কাউসার আশা সহ বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় তারা জামিন নেন। একইভাবে পরবর্তীতে টিপু ও সুজন সহ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নূর হোসেনের ভাই শাহাদাত হোসেন কোর্টে চাঁদাবাজির মামলাও দায়ের করেছিলেন।

সূত্র: জাগো নারায়ণগঞ্জ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

স্বীকৃত চাঁদাবাজ’ সুজনকে নিজ বলয়ে নিল কালামপুত্র আশা

Update Time : 06:22:34 am, Sunday, 18 January 2026
  1. রুহুল আমিন নানা ভাই : স্বীকৃত চাঁদাবাজ’ সুজনকে নিজ বলয়ে নিল কালামপুত্র আশা, সুজন টিপু ছেড়ে আশার কোলে।পিতা এমপি নির্বাচিত না হতেই চাঁদাবাজদের নিজ বলয়ে ভীড়াচ্ছে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। যাকে চাঁদাবাজ ঘোষণা করে যার গ্রেপ্তার দাবি করেছিল সেই চাঁদাবাজের হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিক্ত হচ্ছে আশা। সেই স্বীকৃত চাঁদাবাজ সাখাওয়াত বলয়ে ছেড়ে টিপু বলয়ে রাজনীতি করেছে, সেই টিপুকে পল্টি দিয়ে এবার কালাম বলয়ে আশার হাত ধরে ভীড়ছে। বন্দরে এই চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। আশার সঙ্গে সেই চাঁদাবাজ সুজনের ফুল দেয়া নেয়া দেখে হতাশ হয়েছে বন্দরবাসী।
  2. নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সম্রাট হাসান সুজনকে বন্দরের স্বীকৃত চাঁদাবাজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল আবুল কাউসার আশা। অথচ সেই চাঁদাবাজের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেছে আশা নিজেই। এই চাঁদাবাজ সুজনের কারনেই বিএনপির অপর গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে বেদম পিটুনি খেয়েছিল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। ঘটেছিল পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা। সম্প্রতি আশাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সুজন। এই শুভেচ্ছা জানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
  3. গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তীতে বিএনপি কর্মী নূর হোসেন ওরফে নুরু মিয়ার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সুজন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নাম ভাঙ্গিয়ে এই চাঁদা দাবি করে বলে গণমাধ্যমে জানায় নূর হোসেন। ঐ ঘটনা নিয়ে সুজন ও নূর হোসেন গ্রুপের মাঝে বন্দরে বিরোধের সৃষ্টি হয়। নূর হোসেন বিএনপি নেতা আবুল কাউসার আশা গ্রুপের কর্মী। ঐ সময় আশা নূর হোসেনের পক্ষ নিয়ে সুজনকে স্বীকৃত চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে।
    ঐ বিরোধের বিষয়ে নূর হোসেন ও তার সহযোগীরা টিপুুর দ্বারস্ত হলেও টিপু সুজনের পক্ষ নিয়ে উল্টো নূর হোসেনকে হুমকি ধমকি দেয়। যার ফলশ্রুতিতে ঐ বছরের ৬ সেপ্টেম্বর টিপু বন্দরে গেলে টিপুকে গণপিটুনি দেয় নূর হোসেনসহ তার লোকজন। এ নিয়ে টিপু বাদী হয়ে আতাউর রহমান মুকুল, আবুল কাউসার আশা সহ বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় তারা জামিন নেন। একইভাবে পরবর্তীতে টিপু ও সুজন সহ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নূর হোসেনের ভাই শাহাদাত হোসেন কোর্টে চাঁদাবাজির মামলাও দায়ের করেছিলেন।

সূত্র: জাগো নারায়ণগঞ্জ