Dhaka 3:33 pm, Saturday, 7 March 2026
শিরোনাম :
“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র” বিদ্যুৎ মামুন’-এর বিরুদ্ধে দখল, প্রতারণা, বিদ্যুৎ চুরি ও মামলা বাণিজ্যের একাধিক অভিযোগ  স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার শহরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, প্রশাসন নীরব কেন? অবৈধ দখলের থাবায় খাস জমি ও চা বাগানের লিজভূমিতে গড়ে উঠছে আবাসিক ভবন প্রতিমন্ত্রী তালাবদ্ধ দরজার সামনের থাকা বেঞ্চে বসে আছেন, জমিদারদের অপেক্ষায় আল সামি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে এক লাখ টাকা জরিমানা মুক্তির ১ ঘন্টার মাথা পুর্বকল্পিতভাবে খুন ইমন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, প্রতারক বাদীর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান সিদ্ধিরগঞ্জের ১১ পান্ডা চাঁদাবাজি গুন্ডাবাজি দখল বাজি মামলা বাজি বিভিন্ন উপকরণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  সরকারি ও অন্যোর জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ

২৯তম ভুয়া বিসিএস মমতাজ, বেতন পাচ্ছে ঘরে বসে

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:01:23 pm, Saturday, 7 February 2026
  • 45 Time View

আবুল হাসেম : ভুয়া বিসিএস ক্যাডার মমতাজ বেসম ঢাকায় বসে গোপনে বেতন নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এসিয়া পোস্ট এর তথ্য অনুযায়ী মমতাজ বেগম লিস্টে ৪ নং আছে। প্রশাসন ক্যাডারে তার রেজিষ্ট্রেশন নং ০৬০০১৪। পোস্টটি হুবহুব তোলে ধরা হল:
“মমতাজ বেগম, ২৯তম বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারের অফিসার।
Asia Post এর ৯৫ ভুয়া বিসিএস ক্যাডারের তালিকায় রয়েছেন ইনি।

বর্তমানে DDLG হিসাবে কিশোরগঞ্জ জেলায় কর্মরত ,কর্মরত বললে ভুল হবে, তার অফিস কিশোরগঞ্জ হলেও তিনি ঢাকায় বসে অফিস করেন।

৫ আগস্টের পূর্বে তিনি ঢাকা ডিসি অফিসের এডিসি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ৫ আগস্টের পরে প্রথমে তিনি ভূমি আপিল বোর্ডে বদলি হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকায় বসে ষড়যন্ত্রমূলক সভা/যোগাযোগ করছেন এই অভিযোগে মেহেরপুরের DDLG পদে তিনি বদলি হন কিন্তু যোগদান করেননি। দীর্ঘদিন পর কিশোরগঞ্জে অর্ডার হয় তার।

তিনি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের আব্দুল মোতালেব সরদার ও আলেয়া বেগমের দ্বিতীয় সন্তান। প্রশাসনে যে এইচ টি ইমামের নগ্ন হস্তক্ষেপের কথা শোনা যায় তার একটা বড় উদাহরণ এই মমতাজ বেগম।

২৯তম বিসিএসের নিয়োগের মূল প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিলো ২০১১ সালের ১০ জুলাই। ২০১২ সালে জারি হওয়া এসআরও-৫৫ এর মাধ‍্যমে ২৯ তম বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারে তিনি নিয়োগ পান। ২৯ তম ব্যাচের অফিসাররা সার্ভিসে জয়েনের দুই বছর পর বছর পর এইচ টি ইমামের মাধ্যমে কোটা জালিয়াতি করে প্রশাসনে প্রবেশ করেন তিনি এবং আরো ১৩ জন কর্মকর্তা।

কথিত আছে তিনি বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও দেননি। তাদের এই ১৪ জনকে নতুন আইডি দিতে বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারের ২৯, ৩০ ও ৩১ ব‍্যাচের কর্মকর্তাদের পুরো ব‍্যাচের আইডি পুনর্বন্টন করা হয়েছিলো।

বিষয়টি নিয়ে জনৈক মোহাম্মদ ফেরদৌস হাসান হাইকোর্টে রিট মামলা করলে হাইকোর্ট ২০১৩ সালে এসআরও-৫৫ বাতিল করে রায় প্রদান করে। কিন্তু হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আপিল না করে হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চ বসিয়ে ২০২৩ সালে পদোন্নতির আগে আগে ২০১৩ সালের বিচারপতি নায়মা হায়দার এবং বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলমের প্রদত্ত আদেশ বাতিল করে এই কর্মকর্তাকে উপসচিব পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

প্রশাসনে যোগদান করেই শুরু করেন ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রশাসনের চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন তিনি। প্রশাসনে ছাত্রলীগের বলয় পরিচালনা করতেন তিনি।

এই বলয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কমিশনার অফিসের সকল বদলি/পোস্টিং নিয়ন্ত্রণ করতো। এই বলয় ক্লিয়ারেন্স না দিলে বা কারো নামে আপত্তি দিলে তার প্রমোশন হতো না। বহু নিরপরাধ কর্মকর্তাকে বিএনপি-জামাত বানিয়ে তাদেরকে পদোন্নতি বঞ্চিত করার কারিগর তিনি। আবার ফ‍্যাসিস্ট রেজিমে বহু স্বীকৃত বিএনপি-জামাতের কর্মকর্তাকে অর্থের বিনিময়ে প্রমোশনের ব‍্যবস্থাও করেছেন এমন শোনা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

“ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র”

২৯তম ভুয়া বিসিএস মমতাজ, বেতন পাচ্ছে ঘরে বসে

Update Time : 12:01:23 pm, Saturday, 7 February 2026

আবুল হাসেম : ভুয়া বিসিএস ক্যাডার মমতাজ বেসম ঢাকায় বসে গোপনে বেতন নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এসিয়া পোস্ট এর তথ্য অনুযায়ী মমতাজ বেগম লিস্টে ৪ নং আছে। প্রশাসন ক্যাডারে তার রেজিষ্ট্রেশন নং ০৬০০১৪। পোস্টটি হুবহুব তোলে ধরা হল:
“মমতাজ বেগম, ২৯তম বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারের অফিসার।
Asia Post এর ৯৫ ভুয়া বিসিএস ক্যাডারের তালিকায় রয়েছেন ইনি।

বর্তমানে DDLG হিসাবে কিশোরগঞ্জ জেলায় কর্মরত ,কর্মরত বললে ভুল হবে, তার অফিস কিশোরগঞ্জ হলেও তিনি ঢাকায় বসে অফিস করেন।

৫ আগস্টের পূর্বে তিনি ঢাকা ডিসি অফিসের এডিসি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ৫ আগস্টের পরে প্রথমে তিনি ভূমি আপিল বোর্ডে বদলি হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকায় বসে ষড়যন্ত্রমূলক সভা/যোগাযোগ করছেন এই অভিযোগে মেহেরপুরের DDLG পদে তিনি বদলি হন কিন্তু যোগদান করেননি। দীর্ঘদিন পর কিশোরগঞ্জে অর্ডার হয় তার।

তিনি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের আব্দুল মোতালেব সরদার ও আলেয়া বেগমের দ্বিতীয় সন্তান। প্রশাসনে যে এইচ টি ইমামের নগ্ন হস্তক্ষেপের কথা শোনা যায় তার একটা বড় উদাহরণ এই মমতাজ বেগম।

২৯তম বিসিএসের নিয়োগের মূল প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিলো ২০১১ সালের ১০ জুলাই। ২০১২ সালে জারি হওয়া এসআরও-৫৫ এর মাধ‍্যমে ২৯ তম বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারে তিনি নিয়োগ পান। ২৯ তম ব্যাচের অফিসাররা সার্ভিসে জয়েনের দুই বছর পর বছর পর এইচ টি ইমামের মাধ্যমে কোটা জালিয়াতি করে প্রশাসনে প্রবেশ করেন তিনি এবং আরো ১৩ জন কর্মকর্তা।

কথিত আছে তিনি বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও দেননি। তাদের এই ১৪ জনকে নতুন আইডি দিতে বিসিএস প্রশাসন ক‍্যাডারের ২৯, ৩০ ও ৩১ ব‍্যাচের কর্মকর্তাদের পুরো ব‍্যাচের আইডি পুনর্বন্টন করা হয়েছিলো।

বিষয়টি নিয়ে জনৈক মোহাম্মদ ফেরদৌস হাসান হাইকোর্টে রিট মামলা করলে হাইকোর্ট ২০১৩ সালে এসআরও-৫৫ বাতিল করে রায় প্রদান করে। কিন্তু হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আপিল না করে হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চ বসিয়ে ২০২৩ সালে পদোন্নতির আগে আগে ২০১৩ সালের বিচারপতি নায়মা হায়দার এবং বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলমের প্রদত্ত আদেশ বাতিল করে এই কর্মকর্তাকে উপসচিব পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

প্রশাসনে যোগদান করেই শুরু করেন ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রশাসনের চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন তিনি। প্রশাসনে ছাত্রলীগের বলয় পরিচালনা করতেন তিনি।

এই বলয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কমিশনার অফিসের সকল বদলি/পোস্টিং নিয়ন্ত্রণ করতো। এই বলয় ক্লিয়ারেন্স না দিলে বা কারো নামে আপত্তি দিলে তার প্রমোশন হতো না। বহু নিরপরাধ কর্মকর্তাকে বিএনপি-জামাত বানিয়ে তাদেরকে পদোন্নতি বঞ্চিত করার কারিগর তিনি। আবার ফ‍্যাসিস্ট রেজিমে বহু স্বীকৃত বিএনপি-জামাতের কর্মকর্তাকে অর্থের বিনিময়ে প্রমোশনের ব‍্যবস্থাও করেছেন এমন শোনা যায়।