Dhaka 9:51 pm, Wednesday, 11 February 2026

৪৫ দিন পর নগরভবনে প্রশাসক নিয়োগ

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:30:19 pm, Friday, 27 June 2025
  • 151 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৪৫ দিন পর নগর ভবনে অবশেষে প্রশাসক নিয়োগ হল।
টানা ৪৩ দিন আন্দোলনের নাম করে ভাড়া করা লোক আর তার দলের নেতা কর্মী দিয়ে আন্দোলনের নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১কোটি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে রণে ভঙ্গ দিয়ে, গাট্টি গুট্টি বেধে লেজ গুটিয়ে জনাব ইশরাক বিদায় নিলেন।

পরিশেষে প্রশ্ন থেকেই যায়, ওনি কোন প্রাপ্তিটা নিয়ে ঘরে ফিরলেন?

নিজেকে নিজে মেয়র ঘোষণা করলেন,জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করলেন,নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হল,ওনার ভাষ্যমত মানুষ এখন ওনাকে ভিলেন মনে করে!এই তো ছিল প্রাপ্তি!

জনাব ইশরাক একজন উদীয়মান, জনপ্রিয়,স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ।কে তাকে এভাবে লেজেগোবরে করে ছেড়ে দিল?

ওনি প্রায়সই বলতেন উর্ধতন নেতৃত্বের আদেশে উনি এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। উর্ধতন নেতৃত্বের আশকারা ছাড়া অন্য কোন সমাধানের পথ খোলা ছিল না?

বিএনপি মূলত চেয়েছিল, ডিসেম্বরে নির্বাচন আদায়ে,ইশরাকের ইস্যুটাকে কার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে।
কিন্তু যথারীতি বিএনপির রাজনীতির একটা বৈশিষ্ট্য দেখে আসছি,যেখানেই বিএনপি বাধাগ্রস্ত হয়,ওখান থেকে বিএনপি আর ঘুরে দাড়াতে পারেনা।এই ইস্যুটাও এমন।ডঃ ইউনুস সুচতুরভাবে বিএনপিকে ডিসেম্বরের নির্বাচনের দাবি থেকে ফিরিয়ে এনে,আন্দোলনে পানি ঢেলে দিলেন।ভালো,আমরা আন্দোলন চাই না।সফল সমাধান চাই।

তবে বিএনপি কি চাইলে ইশরাকের ইস্যুটা সফলভাবে সমাপ্ত করতে পারতোনা?
ভাড়া করা লোক দিয়ে, আন্দোলনের নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১ কোটি জনগনকে ৪৩ দিন অধিকার বঞ্চিত না করে সরকারের সাথে ইশরাক কে বসিয়ে আলোচনার টেবিলে সমাধান করলে,আজতো ইশরাকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হত না।এভাবে লেজেগোবরে করে বেইজ্জতি হয়ে তাকে ঘরে ফিরতে হত না।
এখন প্রশ্ন বিএনপি কি,এর দায়ভার কোনভাবে এড়াতে পারে?

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sadaia jahan

৪৫ দিন পর নগরভবনে প্রশাসক নিয়োগ

Update Time : 07:30:19 pm, Friday, 27 June 2025

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৪৫ দিন পর নগর ভবনে অবশেষে প্রশাসক নিয়োগ হল।
টানা ৪৩ দিন আন্দোলনের নাম করে ভাড়া করা লোক আর তার দলের নেতা কর্মী দিয়ে আন্দোলনের নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১কোটি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে রণে ভঙ্গ দিয়ে, গাট্টি গুট্টি বেধে লেজ গুটিয়ে জনাব ইশরাক বিদায় নিলেন।

পরিশেষে প্রশ্ন থেকেই যায়, ওনি কোন প্রাপ্তিটা নিয়ে ঘরে ফিরলেন?

নিজেকে নিজে মেয়র ঘোষণা করলেন,জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করলেন,নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হল,ওনার ভাষ্যমত মানুষ এখন ওনাকে ভিলেন মনে করে!এই তো ছিল প্রাপ্তি!

জনাব ইশরাক একজন উদীয়মান, জনপ্রিয়,স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ।কে তাকে এভাবে লেজেগোবরে করে ছেড়ে দিল?

ওনি প্রায়সই বলতেন উর্ধতন নেতৃত্বের আদেশে উনি এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। উর্ধতন নেতৃত্বের আশকারা ছাড়া অন্য কোন সমাধানের পথ খোলা ছিল না?

বিএনপি মূলত চেয়েছিল, ডিসেম্বরে নির্বাচন আদায়ে,ইশরাকের ইস্যুটাকে কার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে।
কিন্তু যথারীতি বিএনপির রাজনীতির একটা বৈশিষ্ট্য দেখে আসছি,যেখানেই বিএনপি বাধাগ্রস্ত হয়,ওখান থেকে বিএনপি আর ঘুরে দাড়াতে পারেনা।এই ইস্যুটাও এমন।ডঃ ইউনুস সুচতুরভাবে বিএনপিকে ডিসেম্বরের নির্বাচনের দাবি থেকে ফিরিয়ে এনে,আন্দোলনে পানি ঢেলে দিলেন।ভালো,আমরা আন্দোলন চাই না।সফল সমাধান চাই।

তবে বিএনপি কি চাইলে ইশরাকের ইস্যুটা সফলভাবে সমাপ্ত করতে পারতোনা?
ভাড়া করা লোক দিয়ে, আন্দোলনের নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১ কোটি জনগনকে ৪৩ দিন অধিকার বঞ্চিত না করে সরকারের সাথে ইশরাক কে বসিয়ে আলোচনার টেবিলে সমাধান করলে,আজতো ইশরাকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হত না।এভাবে লেজেগোবরে করে বেইজ্জতি হয়ে তাকে ঘরে ফিরতে হত না।
এখন প্রশ্ন বিএনপি কি,এর দায়ভার কোনভাবে এড়াতে পারে?