
উম্মে হানি কারিমা : নারায়ণগঞ্জ-৫(সদর-বন্দর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের সঙ্গে বিএনপি নেতা সাখাওয়াত-টিপুর গোপন বৈঠক ফাঁস!, তোলপাড় রাজনীতির মাঠ। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামকে পরাজিত করতে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু।
যে কায়দায় বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আতাউর রহমান মুকুলকে পরাজিত করা হয়েছিল সেই একই কায়দায় হাটছে সাখাওয়াত ও টিপু। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই আসনের স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছে বলে গুঞ্জন ওঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৩ জানুয়ারী শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বন্দরের ক্যাসেল রিসোর্টে মাকসুদের সঙ্গে ঐ বৈঠক করে সাখাওয়াত ও টিপু। রিসোর্টটির একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলে, রাত ১০টার দিকে সাখাওয়াত ও টিপু রিসোর্টের একটি কক্ষে অবস্থান নেয়। এর আগেই ঐ কক্ষে অবস্থান করেছিল মাকসুদ হোসেন ও তার সহধর্মিনী নারগিস মাকসুদ। সাখাওয়াত ও টিপুর সঙ্গে প্রবেশ করে মুছাপুরের বিএনপি নেতা চাঁদাবাজ ও মামলাবাজ খ্যাত মোটা শাহিন। তারা ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় সেখানে অবস্থান করে। তবে ঐ কক্ষে কি কথা হয়েছে তা সে জানাতে পারেনি। তারা কোনো খাবারও অর্ডার করেনি। বৈঠক শেষে তারা দ্রুত বের হয়ে যায়।
প্রথমে সাখাওয়াত ও টিপু পৃথক দুটি সাদা রংয়ের গাড়িতে বের হয়। ঐ কর্মচারী আরো বলে, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে রমজান মাসে ঐ রিসোর্টে এই ৪ জনই বৈঠক করেছিল।
এদিকে জানা গেছে, মোটা শাহিন হল মহানগর বিএনপির সদস্য। সে আগে মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করত। সাখাওয়াতের মাধ্যমে বিএনপিতে এসেই মাকসুদের তদবিরেই মহানগর বিএনপির সদস্য বানায়।
২০২৪ মালের ৫ আগস্টের পরেও মাকসুদের সঙ্গে সাখাওয়াতের ঘনিষ্ঠতা দেখা গেছে। সাখাওয়াতের চেম্বারেও মাকসুদকে একাধিকার যাতায়াত করতে দেখা যায়। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাখাওয়াত ও টিপু মুকুলকে পরাজিত করতে মাকসুদের পক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঠে কাজ করার নির্দেশ দেয়। ঐ সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিলে যে মাকসুদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মুকুলের বিরোধীতা করছে সাখাওয়াত ও টিপু।
এবার ক্রয়োদশ জাতীয় নির্বাবে আবুল কালাম হারাতে ব্যস্ত মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব টিপু ও আহবায়ক এডভোকেট সাখওয়াত হোসেন।
উম্মে হানি কারিমা 















